আধুনিক ঔষধ বনাম ফিয়োনা আয়ুর্বেদ

প্রচলিত আধুনিক ঔষধকে অ্যালোপ্যাথিক ঔষধ হিসাবে উল্লেখ করা হয় যা বেশিরভাগ রাসায়নিক কেন্দ্রিক ওষুধ এবং অস্ত্রোপচারের সাথে জড়িত।

 

 

 

  • অ্যালোপ্যাথিক ঔষধ সংক্রামক রোগ এবং জরুরী পরিস্থিতিতে নিরাময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • এটি রোগীকে আরও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতে সহায়তা করে তবে এটি রোগের সম্পুর্ণ নিরাময় হয়না এবং এটাই আধুনিক ওষধের গুরুতর সমস্যা।
  • রাসায়নিক এবং সিনথেটিক নমুনা ব্যবহার করার ফলে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অনেক সমস্যা দেখা দেয়।
  • অ্যালোপ্যাথিক ঔষধ যদিও অনেক রোগের দ্রুত নিরাময়কারী তবু ও মানুষের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলিতে এবং এমনকি বাহ্যিকভাবেও এর বিরূপ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে।
  • তথাকথিত অ্যালোপ্যাথিক ঔষধে কোনও রোগের স্থায়ী নিরাময় নেই। এটি শুধুমাত্র সাময়িক স্বস্তি প্রদান, স্বাস্থ্যের বিষয়ে অস্থায়ী সমাধান করে।

আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় চিকিৎসক গবেষক সকলের উচিত সম্পূর্ণ রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময়ের দিকে দৃষ্টি দেওয়া। এছাড়া সুস্থতার সাথে মানুষ দীর্ঘায়ু হতে পারে সেই দিকে দৃষ্টি দেওয়া। আধুনিক চিকিৎসা ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ইত্যাদির জন্য ভ্যাকসিনগুলির আরো অগ্রগতি প্রয়োজন। যারা সুস্থভাবে শ্ত বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকেন দীর্ঘায়ু পান তাদের বেঁচে থাকার রহস্য গবেষণার মাধ্যমে বার করা প্রয়োজন।
আয়ুর্বেদ এমন একটি শব্দ যাকে অস্বীকার করা যায় না। মানবসভ্যতায় প্রকৃতির মাঝে আয়ুর্বেদ বিদ্যমান।
জীবন যেহেতু রহস্য হিসাবে রয়ে গেছে, তেমনিভাবে আয়ুর্বেদের খুব উত্থানও একটি গোপনীয় বিষয় ।আয়ুর্বেদ বিবর্তনের সাথে সাথে মানবজাতির রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি বহু রোগের নিরাময়ের ব্যবস্থা করেছে।প্রকৃতি আমাদের স্বাস্থ্য সমস্যার অনেক সমাধান দেয় তবে উপযুক্ত জ্ঞানের অভাবে প্রাকৃতিক উপাদান সনাক্ত করতে এবং বুঝতে পারি না। আয়ুর্বেদ একজনকে তার শরীর, মন এবং চেতনার ভারসাম্য তৈরি করতে এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে।

আমাদের আগের নিবন্ধে যেখানে আমরা “ফিয়োনা আয়ুর্বেদ” সম্পর্কে আলোচনা করেছি এবং ইতিমধ্যে উল্লেখ করেছি যে ধারণাটি কীভাবে কাজ করে ও “ফিয়োনা আয়ুর্বেদ” থেকে কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে। আপনার যদি আয়ুর্বেদের উপর বিশ্বাস থাকে এবং রোগ মুক্তি থেকে সম্পূর্ণ উপশম চান তবে ফিয়োনা আয়ুর্বেদের পন্যগুলি আপনাকে সেই দিশা দেখাতে পারে। এই পণ্যগুলি সম্পূর্ণ রূপে ভেষজ উপাদান দ্বারা প্রস্তুত ও কোনোও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। প্রত্যেকের যেমন আঙ্গুলের ছাপ বিভিন্ন তেমনি প্রতিটি ব্যাক্তির শারীরিক, মানসিক ও মানসিক বৈশিষ্টের একটি নির্দিষ্ট ধরণ রয়েছ।ফিয়োনা আয়ুর্বেদ সেই জায়গায় মানুষের সুস্থ জীবনের অঙ্গীকার করে, প্রাকৃতিক বিঞ্জানের হাত ধরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *